Saturday, June 3, 2017

 

প্রযুক্তি নিয়ে ২০১৭-এর পাঁচ ভবিষ্যদ্বাণী

 


 



 


  

       ভুয়া খবর: চাপ বাড়ছে ফেইসবুকে

  
 

 


 

            

        বিজ্ঞাপন বন্ধে মূল্য নেবে গুগল

 


 



 


যেসব গ্রাহক অ্যাড-ব্লকার ব্যবহার করে থাকেন বিজ্ঞাপনদাতারা তাদের পছন্দমতো সেবা দেবে। কোনো গ্রাহক যদি বিজ্ঞাপন দেখতে চান তাহলে তাদেরকে বিজ্ঞাপন দেখাবে প্রতিষ্ঠানগুলো। আর কোনো গ্রাহক বিজ্ঞাপন ছাড়া কনটেন্ট দেখতে চাইলে তাকে মূল্য দিতে হবে, বলা হয়েছে বিবিসি-এর প্রতিবেদনে।
এক ব্লগ পোস্টে গুগলের পক্ষ থেকে বলা হয়, “প্রথমে উত্তর আমেরিকা, জার্মানি, অস্ট্রেলিয়া এবং নিউ জিল্যান্ডে ‘ফান্ডিং চয়েসেস’ চালু করা হবে।”
এছাড়া নিজস্ব অ্যাড-ব্লকার তৈরি করছে গুগল। তাদের এই অ্যাড-ব্লকারটি ক্রোম ব্রাউজারে ব্যবহার করা যাবে বলে জানানো হয়। মানসম্মত নয় এমন বিজ্ঞাপনগুলো ব্লক করবে এটি।
অকস্মাত হাজির হয় এবং বিরক্তি উৎপাদন করে এমন বিজ্ঞাপন ঠেকাতে অ্যাড-ব্লকার তৈরি করা হয়। এসব বিজ্ঞাপনের কারণে ব্রাউজারেও ধীর গতি দেখা যায় এবং অনেক ক্ষেত্রে গ্রাহকের ব্যক্তিগত তথ্যও ফাঁস হয়।
গুগলের বিজ্ঞাপণ এবং বাণিজ্য বিভাগের জেষ্ঠ্য ভাইস-প্রেসিডেন্ট শ্রিধর রামাসওয়ামি বলেন, “অ্যাড-ব্লকারগুলো প্রকাশক এবং প্রযোজক যারা বিজ্ঞাপনী আয়ের ওপর নির্ভর করেন তাদের জন্য বড় বাধা।”
“আমরা বিশ্বাস করি এই মূল্যগুলো ছোট বড় কনটেন্ট প্রস্তুতকারকদের নিশ্চিত করবে যে তারা অনলাইন বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে তাদের কাজ চালিয়ে যাওয়ার জন্য তহবিল জোগাতে একটি মজবুত উপায় পাবেন,” যোগ করেন তিনি।
‘কোয়ালিশন ফর বেটার অ্যাড’ নামের একটি দলের সদস্য গুগল। ব্যবহারকারীর অনলাইন বিজ্ঞাপনী অভিজ্ঞতা ভালো করতে কাজ করে এই দলটি। এই দলে আরও রয়েছে নিউজ কর্পোরেশন, ফেইসবুক এবং ইউনিলিভার।
ইন্টারনেট অ্যাডভার্টাইজিং ব্যুরো-এর সাম্প্রতিক তথ্য মতে যুক্তরাজ্যের ২২ শতাংশ প্রাপ্তবয়স্ক ব্যক্তি অ্যাড-ব্লকিং সেবা ব্যবহার করেন। ২০১৬ সালে অ্যাড ব্লকার প্লাস দাবী করে বিশ্বব্যাপী তাদের ১০ কোটি সক্রিয় গ্রাহক রয়েছে।

ঘৃণামূলক বক্তব্যে ‘স্পষ্ট অবস্থানে’ ইউটিউব

 


 



 


বিবিসি-এর প্রতিবেদনে বলা হয়, ভিডিও প্রস্তুতকারকরা যাতে জানতে পারেন কোন কনটেন্টগুলো ‘বিজ্ঞাপনবান্ধব’ সে কারণেই নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করেছে ইউটিউব।
এক ব্লগ পোস্টে প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে বলা হয়, “ঘৃণামূলক এবং পক্ষপাতমূলক কনটেন্টের পাশে বিজ্ঞাপন পোস্ট করবেনা তারা। তাদের বিজ্ঞাপনগুলো কোথায় দেওয়া হচ্ছে সে বিষয়ে বিজ্ঞাপনদাতাদের অবহিত করতেই পরিবর্তন আনা হচ্ছে।”
ইউটিউবের নতুন এই পরিবর্তনে আপত্তি জানিয়েছে বেশ কিছু ব্লগার। তাদের দাবী নীতিমালাগুলো খুব বেশি কঠোর। এটি তাদের আয়ে প্রভাব ফেলবে।
প্রতিষ্ঠানের নতুন ঘোষণায় এটিও স্পষ্ট করা হয় কোন ধরনের কনটেন্টগুলা ওয়েবসাইট থেকে আয় করতে পারবে না। এর পাশাপাশি ভিডিওর যেসব বিজ্ঞাপনে অবাধে কোন ব্যক্তি বা দলকে লক্ষ্য করে অসম্মানজনক ভাষা ব্যবহার করা হচ্ছে সেগুলোও অনুমোদন দেওয়া হবে না বলে উল্লেখ করা হয়।
এই নীতিমালা সিনেমা নির্মাতা যারা বিনোদনী চরিত্রের মাধ্যমে ‘অনুপযুক্ত’ প্যারোডি ভিডিও তৈরি করে তাদেরকেও নিরুৎসাহিত করবে। এর আগে কিছু ভিডিও নির্মাতা কার্টুন চরিত্র দিয়ে ব্যাঙ্গাত্মক ভিডিও তৈরি করেছে বলে জানানো হয়।
ইউটিউবের পক্ষ থেকে আরও বলা হয়, কোনো ভিডিও বিজ্ঞাপনবান্ধব না হলেও সেটি ওয়েবসাইটে রাখা হবে যতক্ষণ পর্যন্ত না এটি তাদের নীতিমালা অমান্য করবে। কিন্তু এ ধরনের কনটেন্ট থেকে কোনো আয় করতে পারবেন না গ্রাহক।

Friday, June 2, 2017

BASIC HTML

BASIC HTML

যেভাবে তৈরি হল ‘আমাদের ন্যানো স্যাটেলাইট’

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

 

দেশি কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ফোনের দাম কমবে

 

এর ফলে দেশে সংযোজিত ও উৎপাদিত কম্পিউটার, ল্যাপটপ, ট্যাব ও ফোনের দাম কমবে।
বৃহস্পতিবার জাতীয় সংসদে ২০১৭-১৮ অর্থবছরের বাজেট বক্তৃতায় অর্থমন্ত্রী আবুল মাল আবদুল মুহিত কর ও শুল্ক ছাড়ের এই প্রস্তাব তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, “ডিজিটাল বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠা আমাদের সরকারের অন্যতম উন্নয়ন কৌশল। এ লক্ষ্যে ১৯৯৬ সন হতে আমরা তথ্য প্রযুক্তি খাতের অধিকাংশ পণ্যের আমদানির ক্ষেত্রে শুল্ক ও কর রেয়াতি সুবিধা দিয়ে আসছি। ফলে এ প্রযুক্তি দেশে ব্যাপক প্রসার লাভ করেছে। প্রচুর সম্ভাবনাময় আইসিটি খাত রূপকল্প ২০২১ এবং ২০৪১ বাস্তবায়নে বিশেষ অবদান রাখবে।
“এখাতে প্রয়োজনীয় শুল্ক-কর প্রণোদনা এবং নীতি সহায়তা প্রদানের জন্য মোবাইল, ল্যাপটপ ও ট্যাবের স্থানীয় সংযোজন ও উৎপাদনকে উৎসাহিত করার লক্ষ্যে এ খাতের প্রয়োজনীয় যন্ত্রাংশ ও অন্যান্য উপকরণ আমদানিতে প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে শুল্ক রেয়াতি সুবিধা প্রদানের প্রস্তাব করছি।”
প্রস্তাবিত বাজেটে কম্পিউটার, ল্যাপটপ ও ট্যাব উৎপাদনে ব্যবহার হয় এমন প্রায় ৫০টি পণ্যে আমদানি শুল্ক কমিয়ে অভিন্ন ১ শতাংশ করা হয়েছে।
এর মধ্যে আগে আমদানি শুল্ক ছিল ২১টি পণ্যে ২৫ শতাংশ, একটি পণ্যে ১৫ শতাংশ, ১০টি পণ্যে ১০ শতাংশ ও ১৮টি পণ্যে আমদানি শুল্ক ৫ শতাংশ ছিল।
সেলুলার ফোন উৎপাদনে ব্যবহৃত হয় এমন ৪৪টি পণ্যে আমদানি শুল্ক কমানো হয়েছে। এর মধ্যে তিনটি পণ্যে আমদানি শুল্ক ২৫ থেকে কমিয়ে ১০ শতাংশ করা হয়েছে, বাকিগুলি কমিয়ে ১ শতাংশে নামানো হয়েছে।
এর মধ্যে ১২টি পণ্যে আমদানি শুল্ক ছিল ২৫ শতাংশ, ১টি পণ্যে ১৫ শতাংশ, ১৫টি ১০ শতাংশ ও ১৩টি পণ্যে আমদানি শুল্ক ছিল ৫ শতাংশ।
তবে বিদেশ থেকে আমদানি করা মোবাইল ফোনের দাম বাড়বে। এটার আমদানি শুল্ক ৫ শতাংশ থেকে বাড়িয়ে ১০ করা হয়েছে।